1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

আবারো সিলেট ক্বীনব্রীজের ওপর দিয়ে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ১০২ বার পঠিত

 

নিজস্ব সংবাদদাতা : সিলেট নগরীর প্রবেশদ্বার ক্বীনব্রীজ এর ওপর দিয়ে মোটরসাইকেল ব্যতীত সকল প্রকার যান্ত্রিক যান চলাচলে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সিসিক।

বুধবার (২৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টায় সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) এর লোকজন ব্রিজের প্রবেশ মুখে লোহার ব্যারিকেড তৈরি করতে দেখা যায়।

তার আগে ০১ সেপ্টেম্বর ক্বীনব্রীজ সংস্কারের জন্য সেতু দিয়ে সব ধরেনা যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলো সিটি করপোরেশন। সে সময় পথচারীরা পায়ে হেঁটে সেতুটি পারপার হন।

দক্ষিণ সুরমাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অফিস গামীদের কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন পর রিকসা, ভ্যান, বাইসাকেল ও মোটরসাইকেল চলাচলের ব্যবস্থা রেখে লোহার ব্যারিকেড দিয়ে অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

দুই প্রান্তের সেই লোহার ব্যারিকেড একটু একটু ভেঙ্গে একটা সময় পুরোটা উধাও হয়ে যায়। তারপর থেকে সিএনজি অটোরিকশা, টেম্পো, কার, লাইটেস ও ছোট পিকআপভ্যান ব্রীজ দিয়ে চলাচল করে।

বুধবার রাতে ব্রীজের সম্মুখে ‘রিকসা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ব্যতীত অন্য সকল যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ’ লেখা লাল সাইনবোড সাঁটানো হয়।

ঐতিহাসিক ক্বীনব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংস্কার কাজের জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয় বলে সিসিকের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সংস্কারের কাজ শেষ হলে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য ফের খুলে দেওয়া হতে পারে বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গ : ব্রিটিশ আমলে ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর ক্বীনব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ব্রীজটির নির্মাণ শেষে ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। আসাম প্রদেশের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল ক্বীনের নামে দৃষ্টিনন্দন এই লোহার ব্রীজটির নামকরণ করা হয় ক্বীনব্রীজ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রীজটির কিছু অংশ ধ্বংস হলে স্বাধীনতার পর সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হয়। তারপর আরো বেশ কয়েকবার সরকার ঐতিহ্যবাহী ব্রিজটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2021 sylheter kuj khobor.com
Theme Customized By BreakingNews