1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিকে  অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে জেলা তাঁতী লীগের আনন্দ মিছিল সিলেটে তিন ঘন্টা নগরবাসীকে ভূগিয়ে শ্রমিক অবরোধ প্রত্যাহার সিলেটে আয়ার সাথে ক্লিনিক মালিকের পরকিয়া থানায় মামলা আসামীরা পলাতক লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগে অপপ্রচার করে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সভা বিশ্বনাথে ৪ বছর বয়সে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ আগাম নির্বাচনী প্রচার নিয়ে তোলপাড় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে সিলেট জেলা তাঁতী লীগের শোক প্রকাশ- এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান কে জেলা তাঁতী লীগের অভিনন্দন– দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হয়রানি ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পাহাড় লালাবাজারে বাসিয়া নদীতে নতুন সেতু নির্মান দাবী বারবার উপেক্ষিত

আসাম-মেঘালয় থেকে বন্যা ধেয়ে আসছে সিলেটে!-(এফএফডব্লিউসি)

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৯৭ বার পঠিত

ডেস্কঃ ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক অববাহিকা এবং মেঘালয় রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা আছে। সেই ভারি বৃষ্টির ফলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ তিন জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিষ্ঠান বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের (এফএফডব্লিউসি) বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যা সম্পর্কিত আট দিনের বিশেষ প্রতিবেদনে বন্যার পূর্বাভাস দেয়া হয়।

 

প্রতিবেদনে আগাম বন্যার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ১০ থেকে ১৭ এপ্রিল উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এই ভারীর ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, লোভাছড়া, সারি, গোয়াইন, ধলাগাং, পিয়াইন, ঝালুখালি, সোমেশ্বরী, ভুগাই-কংস, ধনু-বাউলাই নদ-নদীতে পানির সমতল বেড়ে যেতে পারে। এই সময়কার শেষ দিকে তিন জেলার কিছু স্থানে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

জানতে চাইলে বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, সিলেট অঞ্চলে সাধারণত মে মাসের শেষের দিকে আকস্মিক বন্যা হয়। পাহাড় কাছে থাকায় ঢল চলে আসে। তার আগে মানুষজন বোরো ধান তুলে আনে। কিন্তু এবার সেখানে ৩১ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলে বন্যা হয়ে গেছে। ফলে নদ-নদীর পানিপ্রবাহ বেশি আছে। এ অবস্থায় ফের ভারী বৃষ্টিপাত হলে তা হাওড়াঞ্চলের জন্য বড় ক্ষতি বয়ে আনবে।

বুয়েট এবং এফএফডব্লিউসি সূত্র জানায়, ১০ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ৮ দিনে আসাম ও মেঘালয়ে প্রচুর বৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেয়ারিক অ্যামিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এক সপ্তাহে ২৬১ মিলিলিটার বৃষ্টি হতে পারে। আর ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর মিডিয়াম-রেঞ্জ ফোরকাস্টস (ইসিএমডব্লিউএফ) প্রকাশিত বৃষ্টির মডেল পূর্বাভাস বলছে, প্রায় ৬৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

গত সপ্তাহে পাহাড়ি ঢলে হাওর অঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। উজানের কোনো কোনো জেলায় নদ-নদীতে কিছু বৃষ্টির পানি রয়েছে। মার্কিন প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাস সঠিক হলে মাঝারি আকারের বৃষ্টিতে বন্যা দেখা দিতে পারে মনে করেন বন্যা বিশেষজ্ঞরা, যদিও তা বড় আকার নাও হতে পারে। ইউরোপিয়ান সেন্টারের পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টি হলে অনেক বড় বন্যা হতে পারে।

সূত্র: ঢাকাটাইমস




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর










x