1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০১ অপরাহ্ন

কানাডায় প্রবাসীদের মানবেতর জীবনযাপন অনেকেই খাচ্ছে গরুর হাড় ও মাছের কাঁটা

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ১০৮ বার পঠিত

ডেস্ক: উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় যাওয়া এবং সেখানে স্থায়ী হওয়া অনেকের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কানাডায় পাড়ি দেন বিশ্বের অসংখ্য মানুষ।

গত কয়েক মাসে সিলেটের অনেকেই পাড়ি জমিয়েছেন কানাডায়। তবে কানাডায় গিয়ে সিলেটের অনেকেই জীবনযাপনের ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং আবাসন সংকটে পড়ছেন। অনেকেই আবার অর্থকষ্টে মাছের কাঁটা ও গরুর হাড় কিনে খাচ্ছেন। কানাডা অনেকের কাছেই আদর্শ দেশ হিসেবে গণ্য (সামাজিক নিরাপত্তা,আয় এবং জীবনমানের বিবেচনায়)।

এখানকার সাধারণ লোকজনও প্রচণ্ড অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে আছে। অনেক পরিবারকেই বাসাভাড়া বা বাড়ির লোন যেগাড় করতে গিয়ে খাওয়ার কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে কম খেতে হচ্ছে। কানাডার বাজারে মাছের কাঁটা এবং মাংসের হাড্ডি বিক্রি হয়।

অনেকেই এগুলো কিনতো স্যুপ বা স্টু বানানোর জন্য। কিন্তু এখন অনেকেই সাধারণ খাবার হিসেবে কিনছে মাছ-মাংস কেনার সামর্থ্য কমে যাওয়ার কারণে। দক্ষিণ সুরমার জালালপুর এলাকার মাসুম আহমেদ চার মাস আগের গিয়েছেন কানাডায়। স্বপ্নের দেশ কানাডায় গিয়ে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। তিনি জানান, এখানকার লোকজনও প্রচণ্ড অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে আছে। কানাডায় জীবনযাপনের ব্যয় অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে আবাসন সংকট দেখা দিয়েছে। এখানে জীবন যাপন করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। খাবারের দাম এতো বেশি যে অনেক সময় বাধ্য হয়েই মাছের কাঁটা ও গরুর হাড় কিনে খেতে হচ্ছে।

স্যামন মাছের কাঁটা ৩.৯৯ ডলার, মাথা ৪.৯৯ ডলার আর মাছ ১৪.৯৯ ডলার এবং গরুর হাড্ডি ৩.৫৭ ডলার আর মাংস ৮.৪৯ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এখানকার অভিবাসীদের কানাডা ছাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ৪২ হাজার অভিবাসী কানাডা ছেড়েছেন। যদিও গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮১৮ জন। অপরদিকে ২০২১ সালে কানাডা ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছেন ৮৫ হাজার ৯২৭ জন। একই সময়ে কানাডায় নতুন করে আরও ২ লাখ ৬৩ হাজার অভিবাসী আসলেও দেশত্যাগের প্রবণতা বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যবেক্ষকদের ভাবাচ্ছে।

কানাডার মতো একটি দেশ যেটি অভিবাসনের ওপর তৈরি হয়েছে, সেই দেশ থেকে মানুষের চলে যাওয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নীতির জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের অভিবাসন নীতির ওপর ভিত্তি করে গত ৮ বছরে তিনি ২৫ লাখ মানুষকে দেশটিতে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দিয়েছেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর










x