1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন

কোভিডের পর ক্লান্তির ভয়কে জয় করুন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ১৪৬ বার পঠিত

করোনা সংক্রমণের পর ক্লান্তিতে বিভ্রান্ত হবেন না। কোভিডের উপসর্গগুলোর রেশ সুস্থ হওয়ার পরেও শরীরে বেশ কিছুদিন থেকে যায়। ক্ষতি করতে থাকে বিভিন্ন অঙ্গের। করোনা সংক্রমণের পর গরমের এই সময়টাতে অল্পতে বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়লে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কোভিড ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তখন বাড়ে ক্লান্তি, ঘিরে ধরতে পারে বিষন্নতা। মানসিকভাবে দৃঢ় থাকুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন, তাহলে দ্রুত ক্লান্তি কাটিয়ে পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবনে।

১.প্রথমেই একটি বিষয় স্পষ্ট থাকা জরুরি, সংক্রমণ সেরে যাওয়া মানেই কিন্তু আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন এমন নয়। ফুসফুসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পর্যাপ্ত সময় দরকার হয়। কারণ, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রতি মূহুর্তে যতটা অক্সিজেনের প্রয়োজন, তার ঠিকঠাক জোগান ফুসফুস ২৪ ঘণ্টা দিতে সমর্থ হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। সেজন্য সেরে ওঠার পরে ফুসফুসে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এমন কোন কিছু করবেন না। যতটা সম্ভব বিশ্রাম দিতে হবে শরীরকে। কর্মক্ষেত্রে যোগ দিতে চাইলে বা বাসাবাড়িতে নিত্যদিনের কাজে হাত দেওয়ার আগে অন্তত দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নিন। আর যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা বেশি, তাদের উচিত টানা এক মাস বিশ্রামে থাকা।

২.বিশ্রামে থাকলেই হবেনা। শরীরে ক্লান্তি দূর করতে দরকার পুষ্টিকর খাবার। সুষম খাবারে অভ্যস্ত হতে হবে। এমন খাবার খেতে হবে যাতে শরীর দ্রুত চাঙ্গা হয়ে উঠে। রসালো উজ্জ্বল রঙের বিভিন্ন ফল ও শাক-সবজি, গাজর, পালংশাক, ডাল, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুগ্ধজাতীয় খাবার, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, আমলকী, লেবু, কমলা, সবুজ মরিচ, করলা ইত্যাদি খেতে পারেন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শে।

৩.প্যাকেটজাত কোনো খাবার না খাওয়াই ভালো। বেশি তেল-ঝাল-মশলার রান্না খাবেন না। ভাজাভুজি এড়িয়ে চলবেন। ছোলা ভুনা, পুরি, সিঙ্গারা, আলুর চপ, সমুচা-এগুলো এক প্রকার নিষিদ্ধ করে নেবেন খাবার তালিকায়। অতিরিক্ত মিষ্টি বা তৈলাক্ত খাবার শরীরে শুধু মেদই বৃদ্ধি করে না, ক্লান্তি কাটানোর বদলে আরো বাড়িয়ে দেয়।

৪.কোভিডের শরীরের অবস্থা বুঝে কাজ করবেন। অতিরিক্ত পরিশ্রম ক্লান্তি বাড়িয়ে দিবে। তাই নিয়মমাফিক কাজ করতে হবে। কাজের মাঝে ১০-১৫ মিনিট করে বিশ্রাম নিয়ে নিন। না হলে গোটা শরীরেই এই প্রভাব পড়বে। ক্লান্তি বাড়তেই থাকবে।

৫.কোভিড সেরে যাওয়ার মাস খানেক পর পর্যন্ত চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন, প্রয়োজনে পরামর্শ নেবেন। কারণ, কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পর আপাত ভাবে সব ঠিক হয়ে গেলেও কিছু সমস্যা থেকেই যায়। অনেক সময় সংক্রমণ সেরে যাওয়ার কিছু দিন পর আবার সাইটোকাইন বাড়তে থাকে। কিংবা রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা দেখা দেয়। রক্ত জমাট বাঁধছে কি না তা বুঝতে ডি-ডাইমার পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2021 sylheter kuj khobor.com
Theme Customized By BreakingNews