1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

নির্ভানা ইনের সুইমিংপুলে শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সঙ্গীদের মাতম

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ১৯৪ বার পঠিত
হাসপাতালে সহপাঠীদের মাতম

সিলেটের খোজখবর ডেস্কঃ  সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র রুদ্র দত্ত। বন্ধুদের সাথে মঙ্গলবার বিকেলে গিয়েছিলেন নগরীর মির্জাজাঙ্গালের হোটেল নির্ভানা ইনে সাঁতার কাটতে। আর সেখানেই প্রাণ হারাতে হয় তাকে। সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যান রুদ্র।

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত প্রিয়লাল দত্তের পুত্র রুদ্র দত্তের লাশ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে রাখা রয়েছে। রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে সরিজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রিয়বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে তার সহপাটিরা হাসপাতালে নির্ভাক হয়ে হাসাপাতালে অবস্থান নিয়েছেন। কেউবা তার স্মতি আওড়াচ্ছেন। কেউ মেনে নিতে পারছেন না রুদ্র নেই। তার সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন ওর স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে সে বুয়েটে লেখাপড়া করে ইঞ্জিনিয়ার হবে। কিন্তু স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেলো।  রুদ্রকে ইহলোক ত্যাগ করে পাড়ি দিতে হলো পরলোকে।

এদিকে, করোনা মহামারিতে দেশের সবগুলো হোটেল মোটেল ও পিকনিকস্পট বন্ধ থাকলেও খোলা রয়েছে সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গালস্থ হোটেল নির্ভানা ইন। আর এখানেই সাতার কাটতে গিয়ে প্রাণ হারাতে হলো শিক্ষার্থী রুদ্রকে। 
হোটেল নির্ভানা ইনে শিক্ষার্থী মৃত্যুর বিষয়টি সিলেট প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ। তবে সব কিছু বন্ধ থাকলেও হোটেল নির্ভানা ইন কীভাবে খোলা এ সম্পর্কে কিছু বলতে পারেন নি তিনি।
তিনি বলেন, এখানে ৩০০ টাকা নিয়ে সাঁতার শিখানো হতো, তবে কোভিটের কারণে সাঁতার শিখানো বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে যারা সাঁতার জানে তারা টাকার বিনিময়ে সাঁতার কাটে।
তিনি আরো জানান- ঘটনার পর কোতোয়ালি থানাধীন লামাবাজার ফাঁড়ির একদল পুলিশ ওসি তদন্ত হোটেল নির্ভানা ইনে তদন্তের জন্য গেছেন। তারা বিস্তারিত দেখছেন বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে রৌদ্র ও তার কয়েকজন সহপাঠী হোটেল নির্ভানা ইনের সুইমিংপুলে সাতার কাটতে নামেন। কিছুক্ষণ পর রৌদ্রকে দেখতে না পেয়ে সহপাঠীরা ও হোটেলকর্মীরা খোঁজাখুঁজির পর তাকে সুইমিং পুলের পানির নিচে ডুবে থাকতে দেখেন। পরে রৌদ্রকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে অবস্থানরত সিলেট প্রতিদিনের চিফ ফটোগ্রাফার মোঃ আজমল আলী জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিহত রুদ্রের স্বজনরা রয়েছেন, তারা লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই নিয়ে যাবার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2021 sylheter kuj khobor.com
Theme Customized By BreakingNews