1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটে তিন ঘন্টা নগরবাসীকে ভূগিয়ে শ্রমিক অবরোধ প্রত্যাহার সিলেটে আয়ার সাথে ক্লিনিক মালিকের পরকিয়া থানায় মামলা আসামীরা পলাতক লালাবাজার ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগে অপপ্রচার করে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ সভা বিশ্বনাথে ৪ বছর বয়সে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ আগাম নির্বাচনী প্রচার নিয়ে তোলপাড় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে সিলেট জেলা তাঁতী লীগের শোক প্রকাশ- এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান কে জেলা তাঁতী লীগের অভিনন্দন– দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হয়রানি ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পাহাড় লালাবাজারে বাসিয়া নদীতে নতুন সেতু নির্মান দাবী বারবার উপেক্ষিত যৌতুকের মামলায় আগাম জামিন পেলেন ক্রিকেটার আল-আমিন টি২০ থেকে অবসর নিলেন মুশফিক

বোরো ফসল পানির নিচে ৩’শ কোটি টাকার ক্ষতি

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৭২ বার পঠিত

ডেস্কঃ সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন হাওরের বাধঁ ভেঙ্গে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বোরো ধান পানির নীচে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত ৩ ’শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ,ধর্মপাশা, দিরাই ও শাল্ল  এই ৫ উপজেলার হাওরের বেশি ক্ষতি হয়েছে। 

উল্লেখযোগ্য হাওর গুলোর মধ্যে দিরাই উপজেলার চাপতির হাওরে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর ধর্মপাশার চন্দ্র সোনার থাল হাওরে সাড়ে তিন হাজার হেক্টর, শাল্লার ছায়ার হাওরের সহ জেলার ছোট বড় অন্তত ২০   টি হাওরের ২০ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে ৩শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে সরকারী হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত আরো অনেক কম। তাদের হিসেব মতে জেলার ১৪টি হাওরের ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ১’শ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম জানান, জেলায় ২ লাখ ২২  হাজার ৮০৫ হেক্টর বোরো ফসল চাষাবাদ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার ২২০ মেট্রিক টন ধান। কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর আরও জানান এ পর্যন্ত ২৬০২ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকলে আরো কাটা হবে। আমরা নির্দেশ দিয়েছি ৮০ ভাগ ধান পাকা হলেই যেন ধান কর্তন করেন।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বন্যা সতর্কীকরন কেন্দ্রের মতে আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই খবরে সুনামগঞ্জ জেলার হাওর পাড়ের কৃষকদের মাঝে আবার আতংক দেখা দিয়েছে। গত কদিন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। তাই হাওর পাড়ের কৃষক গণ জমির কাঁচা ও আধা পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন ফসল হারানোর ভয়ে। তাদের মতে নিজে না খেতে পারলেও গবাদি পশুর খাদ্য তো যোগাঙ হলো।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লা পাড়া ইউনিয়নের দেখার হাওর পাঙের আব্দুল্লাহ পুরের বাসিন্দা কৃষক মঙ্গল মিয়া বলেন, অনেক কষ্ট করে অন্যের কিছু জমি বর্গা চাষ করেছিলাম। আশা ছিল ধান ঘরে তোলে আগামী ঈদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুন্দর ভাবে করব। কিন্ত পানি আসার আতংকে কাঁচা আধা পাকা ধান কাটতে বাধ্য হচ্ছি।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, গত কদিন ঝুঁকিপূর্ণ ক্লোজার ও বাধঁ নির্মাণ কাজ সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে করে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসি আবার আবহাওয়ার পূর্বাভাস ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত হওয়ার খবর দেয়ার সংবাদে শংকায় আছি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গত কদিন ইউএনও ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং সাধারণ কৃষক মিলে বাধঁ রক্ষার কাজ করে ঝুঁকি মোকাবিলা করি। এ পর্যন্ত যেসব হাওরে বাঁধ ভেঙে ফসলের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের তালিকা প্রস্তুত করে প্রণোদনা প্রদান করা হবে। কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, সম্প্রতি পাহাডড় ঢলের কারণে বাধঁ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে সাঙে ১৪ কেজি করে দুই হাজার ব্যাগ শুকনো খাবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ তাহিরপুর ও ধর্ম পাশা দেওয়া হয়েছে। সরকার থেকে ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এর মধ্যে ১১০ মেট্রিক টন চাল ১১টি উপজেলার ইউএনওদের দেওয়া হয়েছে।




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর










x