1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

ভোজ্যতেল সরবরাহে কৃত্রিম সংকট তৈরি, তিন কোম্পানিকে তলব

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২
  • ৫৪ বার পঠিত

ডেস্কঃ ভোজ্যতেল আমদানিতে কোনো ঘাটতি না থাকলেও কোম্পানির কারসাজিতে বাজারে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে- এমন অভিযোগের পরিপেক্ষিতে পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর কারখানা পরিদর্শন শুরু করেছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তাতে প্রাথমিকভাবে তিনটি কোম্পানির গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেসব কোম্পানিকে উপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য তলব করা হয়েছে।

সংস্থাটির তথ্যে জানা গেছে, অভিযুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড ও টি কে গ্রুপ সংকটকালীন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল। এছাড়া এস আলম গ্রুপ তাদের রিফাইনারি ও বোতলজাতকরণ শাখা বন্ধ রাখার পাশাপাশি বেশি দামে তেল বাজারজাত করেছে।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জাগো নিউজকে বলেন, তেলের সংকটের কারণ খুঁজতে রিফাইনারি মিলগুলোতে গত ১০ মার্চ থেকে পরিদর্শন কার্যক্রম চলছে। এরমধ্যে প্রায় অধিকাংশ রিফাইনারিতে গিয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তরের টিম। তারমধ্যে এসব কোম্পানির গাফিলতি পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, সেজন্য আমরা এসব কোম্পানিকে ডেকেছি। তাদের এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যাখ্যা দিতে হবে। নতুবা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনটি কোম্পানি কী ধরনের গাফিলতি করেছে সে বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত ২৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ এডিবল অয়েল কারখানা পরিদর্শন করা হয়। সে সময় দেখা গেছে কোম্পানিটি ভোজ্যতেলের সরবরাহের পরিমাণ ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চ মাসে অনেক কমিয়েছে। অর্থাৎ বাজারে ঠিকমতো তেল সরবরাহ করেনি কোম্পানিটি। এ কোম্পানি ফেব্রুয়ারিতে ১৪ হাজার ৩৮ টন তেল সরবরাহ করলেও মার্চে করেছে মাত্র আট হাজার ২৬৩ টন। একই ধরনের কাজ করেছে টি কে গ্রুপ। কোম্পানিটির নারায়ণগঞ্জ কারখানা পরিদর্শন দেখা যায় ফেব্রুয়ারিতে তাদের সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৭ হাজার ৩৭১ টন যা পরবর্তী মাসে ২১ হাজার ৯১৯ টনে নেমেছে।

অন্যদিকে গত ১৩ মার্চ চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেক এলাকায় এস আলম গ্রুপের কারখানায় বেশকিছু অনিয়ম পাওয়া যায়। এরমধ্যে তেলের ড্রামের গায়ে পণ্যের নাম, মেয়াদ ও ড্রামপ্রতি মূল্য ইত্যাদির উল্লেখ ছিল না। এছাড়াও তেল রিফাইনারি ও বোতলজাতকরণ সেকশন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি বোতলজাত পাঁচ লিটারের মোড়কে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৮৩৫ টাকা মুদ্রিত ছিল। যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি।

এরপর গতকাল (২৭ মার্চ) আবারও ওই কারখানা পরিদর্শন করে ভোক্তা অধিদপ্তর। সে সময় তেল রিফাইনারি ও বোতলজাতকরণ সেকশন চালু এবং মোড়কজাত বোতলে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এমআরপি উল্লেখ থাকলেও সরবরাহকৃত এসও’তে একক মূল্য উল্লেখ করার নির্দেশনা মানা হয়নি। এসও হস্তান্তর হয়ে মিলে আসার প্রমাণ পাওয়া যায়। যা বেআইনি।

ফলে এ তিনটি কোম্পানিতে এসব অনিয়মের ব্যাখ্যা দিতে ৩০ মার্চ ভোক্তা অধিকার উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর










x