1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম শায়েস্তার প্রার্থিতা বাতিল তামাবিল স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম ২ দিন বন্ধ থাকবে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি প্রকাশ্যে ইউপি সদস্যকে গুলির পর গলা কেটে হত্যা ১৪৩১ কে স্বাগত জানিয়ে বর্নিল আয়োজনে সিলেটে নববর্ষ উদযাপন পর্তুগালে নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপন। ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালালো ইরান যথাযোগ্য মর্যাদায় পর্তুগালে উদযাপিত হলো পবিত্র ঈদুল ফিতর বরের কতজন স্ত্রী বর্তমান আছে, সংশোধনী আসছে কাবিননামায় বেনজীরের দুর্নীতি: ‘বিশ্বাসযোগ্য তথ্য-উপাত্ত হাতে পেলেই ব্যবস্থা -দুদক

সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: রাষ্ট্রপতি

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩ বার পঠিত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে যত ষড়যন্ত্রই হোক আমরা এগিয়ে যাবো সামনের দিকে-উন্নয়নের দিকে। কেননা, বাঙালী বীরের জাবৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম শুভ জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে পাবনার সাঁথিয়ায় ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন করেছি। বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমৃত্যু লড়াই-সংগ্রাম করেছেন, জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন। স্বাধীনতার পর দেশকে এগিয়ে নিতে বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক বাঙালি চেতনাকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ শুরু করেছিলেন। সে লক্ষ্যে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সংবিধানও আমাদেরকে উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের ষড়যন্ত্রের কারণে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় আমরা জাতির পিতাকে হারাই। এটা ছিল জাতি হিসাবে আমাদের চরম ব্যর্থতা। কারণ আমরা তাকে ধরে রাখতে পারিনি। আজ বঙ্গবন্ধু আমাদের সঙ্গে না থাকলেও তার নীতি-আদর্শই বাঙালির এগিয়ে যাওয়ার পথ-নির্দেশিকা ও অনুপ্রেরণা।তিনি বলেন, নৌকা বাইচ আবহমান বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির একটি অনন্য ঐতিহ্য। বাংলার প্রতিটি আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে লোকসংস্কৃতির অমূল্য বহু উপাদান। এসব লোক-সংস্কৃতি সঠিকভাবে লালন করা গেলে এগুলো বিশ্ব সংস্কৃতি ও সাহিত্যেরও অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। পাবনা জেলা বাঙালি লোক-সংস্কৃতির উর্বর ক্ষেত্র। নৌকা বাইচ আমাদের এলাকার তেমনই একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব।রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ গোটা বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়। কিন্তু সেসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ অর্থনীতির নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনাল নির্মাণ, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সকল মেগা প্রকল্পের কাজ সময়মত শেষ হয়েছে। জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে।পাবনার কৃতি সন্তান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সারা দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পাবনার উন্নয়নে নতুন গতি এসেছে। ২০০৮ সালে পাবনায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও এতদিনে কোনো হাসপাতাল ছিল না। আজ সকালেই পাবনার ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ কাজের শুভসূচনা করা হয়েছে। পাবনা থেকে ঢাকা রেল চলাচল এ মাসেই শুরু করার কথা থাকলেও প্রশাসনিক ও কারিগরিক কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা শুরু হবে। এছাড়াও ইছামতি নদী সংস্কার ও পুন:খননের একটি প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। উন্নয়ন তখনই ফলপ্রসূ হয়, যখন এর সঙ্গে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা থাকে। তাই পাবনার উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সাঁথিয়ার মেয়র মাহবুবুল আলম বাচ্চু।এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী ফার্স্টলেডি প্রফেসর ড. রেবেকা সুলতানা, পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুজ্জামান বিশ্বাস, পাবনার জেলা প্রশাসক মু. আছাদুজ্জামান, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আসম আব্দুর রহিম পাকন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, বেড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট আশিফ শামস রঞ্জন, সাঁথিয়ার ইউএনও মাসুদ হোসেন প্রমুখ।পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম শুভ জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে পাবনার সাঁথিয়ার ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।বুধবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। রাত ৯টার দিকে পাবনার গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি এবং সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।বৃহস্পতিবার সাঁথিয়ার নৌকাবাইচ অনুষ্ঠান শেষে পাবনা শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করবেন রাষ্ট্রপতি। এর পর ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে পাবনা সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার শেষে পাবনা স্টেডিয়ামে হেলিপ্যাডে উপস্থিত হয়ে বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর










x