1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা তাঁতী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণঃ সিলেট জেলা তাঁতী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিতঃ মিডিয়া বলে না? আমি বলি! আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা তাঁতী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণঃ হেলিকপ্টারযোগে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটবাসীর দুঃসময়ে পাশে রয়েছেন: হাবিবুর রহমান হাবিব প্রধানমন্ত্রী আসছেন মঙ্গলবার, হেলিকপ্টারে ঘুরে দেখবেন বন্যা পরিস্থিতি সিলেট অঞ্চলে বন্যার পানি নেমে যেতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে ডাকাত আতঙ্ক: গুজবকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যার ভয়াবহ রূপ,৩০ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সুরমার পানিতে ভাসছে সিসিকের শত কোটি টাকার উন্নয়ন!

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ৮৫ বার পঠিত

ডেস্কঃ সিলেট মহানগরীর প্রধান সমস্যাগুলাের মধ্যে অন্যতম ছিলো জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা সমাধানে সাত বছরে হাতে নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রকল্প।

ছড়া-খাল উদ্ধার, খনন, গার্ডওয়াল নির্মাণ ও নতুন করে পুরাে নগরীর ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। সাত বছরে খরচ করা হয়েছে ২৪৫ কোটি টাকা। কিন্তু বিশাল অঙ্কের প্রকল্পগুলাে বাস্তবায়ন করেও জলাবদ্ধতামুক্ত করা যায়নি নগরীকে। বরং এবার নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা।

প্রকৌশলী ও নগরবিদরা বলছেন, সুরমার নাব্য হারানাের কারণেই তৈরি হয়েছে এ সংকট। এ জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে হলে সুরমা খনন অথবা বেড়িবাঁধ দিতে হবে।

গত এক সপ্তাহের দিনের টানা বর্ষণ আর উজানে ভারতের পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা ঢলে ফুলে-ফেঁপে ওঠে সুরমা। যেসব ছড়া-খাল দিয়ে নগরের পানি গিয়ে সুরমায় পড়ত, সেগুলাে দিয়েও নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গত শুক্রবার বিভিন্ন ছড়া-খাল দিয়ে উল্টো পানি ঢোকা শুরু হয় নগরীতে।

গত সােমবার বিভিন্ন স্থানে নদীর তীর উপচেও পানি প্রবেশ শুরু হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত এ অবস্থা বিদ্যমান। ফলে নগরীর ছড়ারপাড়, মাছিমপুর, কালিঘাট, তােপখানা, কাজীর বাজার, শেখঘাট, উপশহর, তেররতন, মুমিনখলা, খােজারখলা, ঝালােপাড়াসহ নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া ড্রেনেজ সিস্টেম ভেঙে পড়ায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। এতে নগরীর তালতলা, দাড়িয়াপাড়া, ভাতালিয়া, সােবহানীঘাট, যতরপুর, সােনারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মানুষের বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও অফিসে পানি উঠে গেছে। ফলে পানিবন্দী নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

গতকাল সিলেটে ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের ঢলের কারণে সুরমার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। নতুন করে বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে যাদের বাসা বহুতল ভবনের নিচতলায় তারা পড়েছেন মারাত্মক বিপাকে। অনেকে বাসাবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাসায় কিংবা গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন।

শাহজালাল উপশহরের বাসিন্দা ব্যাংকার মােস্তাফিজ রুমান জানান, সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সােমবার রাতে তাদের বাসায় পানি ওঠা শুরু হয়। তিনি বাসার নিচতলায় থাকেন। বধুবার তার বাসার ভেতরে দেড় ফুট পরিমাণ পানি উঠেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে উঠেছেন।

সিটি করপােরেশন সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছড়া-খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ পায় সিটি করপােরেশন। এরপর জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য হাতে নেওয়া হয় মেগা প্রকল্প। ২০১৬-২০২০ সালের মধ্যে সিটি করপােরেশন বরাদ্দ পায় ২৩৪ কোটি টাকা। ওই টাকা দিয়ে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সবকটি ছড়া-খাল উদ্ধার, খনন ও উভয় পাশে গার্ডওয়াল নির্মাণ করা হয়।

নগরীর প্রায় সব কটি ড্রেন ভেঙে নতুন করে আরও গভীর ও প্রশস্ত করে তৈরি করা হয়। এরপর থেকে জলাবদ্ধতা কিছুটা কমে আসে। ভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হলেও পানি দ্রুত নেমে যেত। কিন্তু এবার টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল হিসাব-নিকাশ গুলিয়ে দিয়েছে সিটি করপােরেশনের।

২৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প কোনাে কাজেই আসেনি জলাবদ্ধতা কিংবা বন্যা নিয়ন্ত্রণে। এ যেন সুরমার পানিতে ভাসছে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন!

তবে সিটি করপােরেশনের দাবি, নগরীর ছড়া-খালের পানি ধারণ ও নিষ্কাশনের ক্ষমতা বাড়লেও প্রধান সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে সুরমা নদীর নাব্যতা হারানো। এতে ছড়া-খালের উৎসমুখ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে ভারী বর্ষণ কিংবা পাহাড়ি ঢল নামলে ফুলে-ফেঁপে ওঠে সুরমার বুক।

সিলেট মহানগরীর প্রধান সমস্যাগুলাের মধ্যে অন্যতম ছিলো জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা সমাধানে সাত বছরে হাতে নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রকল্প।

ছড়া-খাল উদ্ধার, খনন, গার্ডওয়াল নির্মাণ ও নতুন করে পুরাে নগরীর ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। সাত বছরে খরচ করা হয়েছে ২৪৫ কোটি টাকা। কিন্তু বিশাল অঙ্কের প্রকল্পগুলাে বাস্তবায়ন করেও জলাবদ্ধতামুক্ত করা যায়নি নগরীকে। বরং এবার নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা।

প্রকৌশলী ও নগরবিদরা বলছেন, সুরমার নাব্য হারানাের কারণেই তৈরি হয়েছে এ সংকট। এ জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করতে হলে সুরমা খনন অথবা বেড়িবাঁধ দিতে হবে।

গত এক সপ্তাহের দিনের টানা বর্ষণ আর উজানে ভারতের পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা ঢলে ফুলে-ফেঁপে ওঠে সুরমা। যেসব ছড়া-খাল দিয়ে নগরের পানি গিয়ে সুরমায় পড়ত, সেগুলাে দিয়েও নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গত শুক্রবার বিভিন্ন ছড়া-খাল দিয়ে উল্টো পানি ঢোকা শুরু হয় নগরীতে।

গত সােমবার বিভিন্ন স্থানে নদীর তীর উপচেও পানি প্রবেশ শুরু হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত এ অবস্থা বিদ্যমান। ফলে নগরীর ছড়ারপাড়, মাছিমপুর, কালিঘাট, তােপখানা, কাজীর বাজার, শেখঘাট, উপশহর, তেররতন, মুমিনখলা, খােজারখলা, ঝালােপাড়াসহ নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া ড্রেনেজ সিস্টেম ভেঙে পড়ায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। এতে নগরীর তালতলা, দাড়িয়াপাড়া, ভাতালিয়া, সােবহানীঘাট, যতরপুর, সােনারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মানুষের বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও অফিসে পানি উঠে গেছে। ফলে পানিবন্দী নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

গতকাল সিলেটে ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও উজানের ঢলের কারণে সুরমার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। নতুন করে বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে যাদের বাসা বহুতল ভবনের নিচতলায় তারা পড়েছেন মারাত্মক বিপাকে। অনেকে বাসাবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাসায় কিংবা গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন।

শাহজালাল উপশহরের বাসিন্দা ব্যাংকার মােস্তাফিজ রুমান জানান, সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সােমবার রাতে তাদের বাসায় পানি ওঠা শুরু হয়। তিনি বাসার নিচতলায় থাকেন। বধুবার তার বাসার ভেতরে দেড় ফুট পরিমাণ পানি উঠেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে উঠেছেন।

সিটি করপােরেশন সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছড়া-খাল উদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ পায় সিটি করপােরেশন। এরপর জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য হাতে নেওয়া হয় মেগা প্রকল্প। ২০১৬-২০২০ সালের মধ্যে সিটি করপােরেশন বরাদ্দ পায় ২৩৪ কোটি টাকা। ওই টাকা দিয়ে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সবকটি ছড়া-খাল উদ্ধার, খনন ও উভয় পাশে গার্ডওয়াল নির্মাণ করা হয়।

নগরীর প্রায় সব কটি ড্রেন ভেঙে নতুন করে আরও গভীর ও প্রশস্ত করে তৈরি করা হয়। এরপর থেকে জলাবদ্ধতা কিছুটা কমে আসে। ভারী বৃষ্টিপাত হলে সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হলেও পানি দ্রুত নেমে যেত। কিন্তু এবার টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল হিসাব-নিকাশ গুলিয়ে দিয়েছে সিটি করপােরেশনের।

২৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প কোনাে কাজেই আসেনি জলাবদ্ধতা কিংবা বন্যা নিয়ন্ত্রণে। এ যেন সুরমার পানিতে ভাসছে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন!

তবে সিটি করপােরেশনের দাবি, নগরীর ছড়া-খালের পানি ধারণ ও নিষ্কাশনের ক্ষমতা বাড়লেও প্রধান সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে সুরমা নদীর নাব্যতা হারানো। এতে ছড়া-খালের উৎসমুখ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে ভারী বর্ষণ কিংবা পাহাড়ি ঢল নামলে ফুলে-ফেঁপে ওঠে সুরমার বুক।




Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর










x