1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় শুক্রবার দুইজন নিহত: ডিএমপি কোটা আন্দোলন সরকার বিরোধী : দ্বায়িত্ব ছাড়লেন সিলেটের সমন্বয়ক ফুটবল বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ট্রফির রাজা এখন মেসি দক্ষিণ সুরমা মোগলাবাজারে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃ ত্যু হাওরে গোসল করতে গিয়ে শাশুড়ি ও অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর মৃত্যু লন্ডনে বসে মামলার হাজিরা দেন সিলেট কোর্টে খলিলের ফাঁস করা প্রশ্নে ৩ বিসিএস ক্যাডার, আতঙ্কে অন্যরাও বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয় ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করতে চেয়েছিলেন সোহাগ ব্যারিস্টার সুমনকে ‘হ ত্যা র পরিকল্পনা’ : একজন পুলিশের জালে সিলেটে আগামী ৩ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা- আবহাওয়া অধিদপ্তর

গাঁজা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের সোর্স গ্রেপ্তার

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৩ বার পঠিত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের আজিমাবাদ গ্রামে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় ছোট ভাইকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর দায়ে সোর্স সাদেক মিয়াকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সাদেক মিয়া উপজেলার আজিমাবাদ এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক মনির হোসেন বাদী দুজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।  মামলার পর ঘটনার মূলহোতা ছানু মিয়া পলাতক রয়েছেন।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে আজিমাবাদ এলাকায় মৃত আব্দুল কালামের বড় ছেলে ছানু মিয়ার (৪০) সঙ্গে বিরোধ বাধে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া ছোট ভাই ছানির। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। তবে বড় ভাই বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছোট ভাইকে সায়েস্তা করতে পুলিশের সোর্স সাদেকের পরামর্শে ছোট ভাইকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর সিদ্ধান্ত নেন বড় ভাই।

রোববার বিকেলে বড় ভাই ছানুর পরিকল্পনায় সোর্স সাদেক ছানির বাড়ির পেছনে টয়লেটের ছাদে ১৫ কেজি গাঁজা রেখে চুনারুঘাট থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ খবর পেয়ে টয়লেটের ছাদ থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ছানিকেও আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ছানির আটকের খবর পেয়ে রাতেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুহিতুর রহমান, গ্রামবাসী ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা থানার সামনে জড়ো হন এবং তাকে মুক্তির দাবি করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মুহিতুর রহমান রুমন ফরাজি প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করতে পুলিশের তদন্তের দাবি জানান।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর










x