1. admin@sylheterkujkhobor.com : admin :
শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় শুক্রবার দুইজন নিহত: ডিএমপি কোটা আন্দোলন সরকার বিরোধী : দ্বায়িত্ব ছাড়লেন সিলেটের সমন্বয়ক ফুটবল বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ট্রফির রাজা এখন মেসি দক্ষিণ সুরমা মোগলাবাজারে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির মৃ ত্যু হাওরে গোসল করতে গিয়ে শাশুড়ি ও অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূর মৃত্যু লন্ডনে বসে মামলার হাজিরা দেন সিলেট কোর্টে খলিলের ফাঁস করা প্রশ্নে ৩ বিসিএস ক্যাডার, আতঙ্কে অন্যরাও বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যা নয় ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করতে চেয়েছিলেন সোহাগ ব্যারিস্টার সুমনকে ‘হ ত্যা র পরিকল্পনা’ : একজন পুলিশের জালে সিলেটে আগামী ৩ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা- আবহাওয়া অধিদপ্তর

পিকে অবন্তিকাসহ ১৪ জনের ২২ বছরের সাজা প্রত্যাশা

সিলেটের খোঁজখবর
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৯ বার পঠিত

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলায় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৪ আসামির ২২ বছর করে কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।২২ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে দুদক যুক্তি উপস্থাপন করে। যুক্তি উপস্থাপন শেষে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আহম্মেদ সালাম তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করেন।

দুদকের পিপি মীর আহম্মেদ সালাম বলেন, পিকে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ১০৬ সাক্ষীর মধ্যে ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইনের ২৭ (১) ধারা ও মানি লন্ডারিং আইনে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা তাদের ২৭ (১) ধারায় ১০ বছর ও মানিলন্ডারিং আইনে ১২ বছর করে কারাদণ্ড প্রত্যাশা করছি।

প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে কানাডায় ৮০ কোটি টাকা পাচার ও প্রায় ৪২৬ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার রায় ঘোষণা করবেন আদালত।

আজ দুপুরের পর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন। গত ৪ অক্টোবর একই আদালত রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।এই মামলার প্রধান আসামি পি কে হালদার। অর্থপাচারের অভিযোগে গত বছরের ১৪ মে ভারতের অশোকনগরে পি কে হালদার গ্রেফতার হন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন—পি কে হালদারের আইনজীবী সুকুমার মৃধা, মেয়ে অনিন্দিতা মৃধা, সহযোগী অবন্তিকা বড়াল ও চাচাতো ভাই শঙ্খ বেপারী, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার এবং ভাই প্রীতিশ কুমার হালদার এবং সহযোগী পূর্ণিমা রানী হালদার, অমিতাভ অধিকারী, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায়, উত্তম কুমার মিস্ত্রি এবং স্বপন কুমার মিস্ত্রি।তাদের মধ্যে সুকুমার, অনিন্দিতা, অবন্তিকা ও শঙ্খকে আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং তারা কারা হেফাজতে আছেন। পি কে হালদারসহ ১০ জন পলাতক ছিলেন।এদের মধ্যে সুকুমার, শঙ্খ ও অনিন্দিতা এর আগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।আদালত এই মামলায় অভিযোগকারীসহ রাষ্ট্রপক্ষের ১০৮ জন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পিকে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।এই মামলার পলাতক আসামিরা হলেন পিকে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। মামলার এজাহারে বলা হয়, পিকে হালদার অবৈধ বিভিন্ন ব্যবসা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। এ ছাড়া ওই অর্থ আড়াল করতে বিদেশে পাচার করে মানি লন্ডারিং আইনেও অপরাধ করেন তিনি।মামলাটি তদন্ত শেষে ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর










x